সড়ক দুর্ঘটনা তহবিলে শত কোটি টাকা, আর্থিক সহায়তার বিষয়ে জানেই না জনগণ

সড়ক দুর্ঘটনায় হ’তাহতদের জন্য স’রকারি তহবিলে ১১১ কোটি টাকা’ জমা হলেও তা থেকে’ আজ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ সহায়তা দে’য়া হয়েছে মাত্র ৮ ‘কোটি টাকা! শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে’ পাস হওয়া সড়ক প’রিবহন আইনের ৫৩(১) ধারা অনুযায়ী’, দুর্ঘটনায় হতাহতরা ‘ক্ষতিপূরণ পাবেন

 

 

আর্থিক ‘সহায়তা তহবিল থে’কে। ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর কার্যকর স’ড়ক বিধিমালা অনুযা’য়ী, প্রতিটি যানবাহনের কাছ থে’কে বার্ষিক চাঁদা নেয়া’ হয় এই তহবিলেতহবিলের জন্য নতুন নি’বন্ধন এবং প্রতিব’ছর গাড়ির কাগজ হালনাগা’দের সময় এই চাঁদা: নেয়া হয়। মিনিবাস, মিনিট্রাক

 

 

, পিকআপের বা’র্ষিক চাঁদা ৭৫০ টা:কা। কার, জিপ, মাইক্রোবা’সের চাঁদা ৫০০। তিন চা:’কার গাড়ি এবং অন্যান্য যানবাহনে’র চাঁদা ৩০০ টাকা। আর মো’টরসাইকেলকে দিতে হয় এককা’লিন ১ হাজার টাকা।’এদিকে, সরকারি হিসেবে প্রতিদিন স’ড়ক দুর্ঘটনায় মা’রা যান ১২ জন।

 

 

বাস্তবে হিসাবে’র তালিকাটা আ’রও দীর্ঘ। কারও কারও মতে দ্বিগুন। বিভিন্ন সমীক্ষা’ বলছে আহত ‘হ’য়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন প্রতিদিন অন্ত’ত ৫০ জন ব্য’ক্তি। সে হিসেবে প্রতিদিন অন্তত ৮০ জ’নকে ক্ষতিপূরণ ‘দেয়া উচিত। কিন্তু সে টাকা

 

 

কতজন পাচ্ছেন ‘সেটা নিয়ে আছে ধোঁয়া’শা।এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এই প্রতি’বেদক গিয়েছিলেন’ জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও ‘পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠা’ন বা পঙ্গু হাসপাতালে। এখানে প্র’তিদিন সড়ক দুর্ঘ’টনায় আহত হয়ে

 

 

অন্তত ১০০ রোগী চিকি’ৎসা নেন। তাদে’র স্বজনদের কাছেই প্রশ্ন ছিল, ক্ষতিপূরণ’ পাবার উপায় তা’রা জানেন কি? প্রশ্ন করা সাত জন ব্যক্তির ‘স্বজনদের সবাই’ ‘জানিয়েছেন তারা এ আইন সম্পর্কে ‘কিছুই জানেন না।’সড়ক দুর্ঘট’নায় আহত কমপক্ষে ৩০ জন’কে এই ক্ষতিপূর’ণ সম্পর্কে ‘জিজ্ঞাসা করা

 

 

হয়। তবে তাদের মধ্যে ক্ষতিপূ’রণ পাওয়ার ‘বিষয়টি জানেন না বলেই জানিয়েছেন স’বাই।এ অবস্থায় ‘এখন পর্যন্ত সহায়তার জন্য আবেদন পড়েছে পাঁ’চশ’রও কম’। এ পর্যন্ত অর্থ দেয়া হয়েছে ১৬২ ক্ষ’তিগ্রস্ত পরিবার ও ‘ব্যক্তিকে।

 

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণের ক্ষ’তিপূরণ দিতে স’দিচ্ছা আর প্রচারণার অভাবেই ক্ষতি’গ্রস্তরা অর্থ পা’চ্ছেন না। তবে ক্ষতিপূরণ দেয়ার উদ্যো’গ ভালো হলেও ‘দুর্ঘটনা কমাতে এর বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি’ নেই। আবেদন’ করে ক্ষতিপূরণ

 

 

পাওয়া নয়, বরং কারণ অনুস’ন্ধান করে বী’মার আওতায় ক্ষতিপূরণ দিলে দুর্ঘ’টনার প্রবণতা ‘কমবে বলেও জানিয়েছেন তারা।আইনে বলা আ’ছে, দুর্ঘটনায় ‘ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তিদের আর্থিক সহায়তা ত’হবিল পরিচাল’নায় ১২ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ড থাকবে। থা’কবে নিজস্ব জনব’ল ও

 

 

নিজস্ব কার্যালয়।এ বিষয়ে বিআরটি’এ চেয়ারম্যান ‘নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, ‘আর্থিক এ সহায়তা’য় এখনও নিজস্ব কোনো জনবল নাই। অস্থায়ী ভি’ত্তিতে অস্থায়ী ‘কার্যালয় হিসেবে বিআরটিএ এর সদ’র কার্যালয়কে ‘ব্যবহার করছি। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ বি’ধি তৈরি করা

 

 

হয়ে’ছে।বিআরটিএর এর মাধ্যমেই আপাতত ‘এই ক্ষতিপূরণ দে’য়া হয়। এই আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য’ ১২ সদস্য বিশি’ষ্ট একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা আ’ছে। এদের অনুমোদন নি’য়েই সহায়তা দেয়া হয় বলেও জানান ‘তিনি।’

 

 

এমন কার্যক্র’মের স্বচ্ছতা ঠিক রাখাই বড় চ্যালে’ঞ্জ বলছেন বিশেষজ্ঞ’রা। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের ‘সাবেক পরিচাল’ক অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক এ বিষয়ে বলেন, যারা দায় নি’র্ধারণ করবেন তাদের কম্পজিশনে’র মধ্যে

 

 

কোনো স্পে’শালিস্ট আমি দেখি না। এছাড়া এ তহবি’লের যে পরিমা’ণ প্রচার প্রসার দরকার সেটারও’ ঘাটতি রয়েছে।দী’র্ঘদিন সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহন নি’য়ে গবেষণা ও ‘কাজ করা এই অধ্যাপক আরও ব’লেন, অর্থ সহায়তা

 

 

‘দেয়ার এ উদ্যোগ ভালো। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত’ নয়। কারণ, স’ড়ক’ দুর্ঘটনায় জীবন চলে যাচ্ছে। তবে’ ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে ‘তার পরিবার। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনা কমছে না। যার কারণে’ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে তার জরিমানা’ হওয়ার কথাও বলেন

 

 

‘তিনি।এছাড়া ইন্সুরেন্স ও পুলিশ ভিত্তিক ‘দায় নির্ধারণের’ মাধ্যমে জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ ‘দিলে স্বচ্ছতা ও ‘জবাবদিহিতা থাকবে বলে মত দিয়েছেন তি’নি। যাতে

 

 

দুর্ঘটনা ঘ’টালে জরিমানার বিধানে ড্রাইভাররা সচে’তন হয়ে যাবে। ‘এর ফলে এই ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে ‘দীর্ঘমেয়াদে ইন্সু’রেন্স বেড়ে যাবে বলেও মত তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *